নদিয়া:

২৫ জানুয়ারী ২০২০ তারিখে নদিয়া জেলার ভোলাডাঙ্গার শ্রীনাথ সেবক দাস প্রভুর শ্রদ্ধাকুটির প্রাঙ্গণে প্রাতঃকালীন অনুষ্ঠান তথা শ্রী গুরুপূজা ও হরিকথা প্রবচন প্রদান করেন শ্রীধাম মায়াপুরের ইসকন নামহট্ট বিভাগের অন্যতম জেলা প্রচারক তথা নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা পরিদর্শক পূজ্যপাদ বসুদেব নন্দন দাস ব্রহ্মচারী প্রভু। এই অনুষ্ঠানে  প্রায় ১০ জন ভক্ত উপস্থিত ছিল। ভজন কীর্তন মঙ্গলাচরণ ও পূজ্যপাদ বসুদেব নন্দন দাস ব্রহ্মচারী প্রভুর শ্রীমুখ থেকে শ্রীমদ্ভাগবতম্ পাঠের মধ্য দিয়ে এই স্থান আনন্দমুখর হয়ে ওঠে। পূজ্যপাদ বসুদেব প্রভু পাঠ প্রদানের পর প্রাতঃকালীন মহা প্রসাদ গ্রহণ করেন।

এরপর শান্তিপুরের ৪ টি শ্রদ্ধা কুটির পরিদর্শন করেন এবং চাকদহের পাবনা কলোনিতে মধ্যাহ্নকালীন মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন। প্রায় ১০-১২ জন ভক্ত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে বৈষ্ণব মহাজন বিরচিত ভজন কীর্তনের মাধ্যমে এই স্থান আনন্দে মুখরিত হয়ে ওঠে। ভজন কীর্তনের পর এই স্থানে উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশ্যে পূজ্যপাদ বসুদেব নন্দন প্রভু শ্রীমদ্ভাগবত থেকে পাঠ প্রদান করেন এবং ভক্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।  প্রশ্ন উত্তর পর্ব সমাপ্ত হলে এই স্থানে কেক কাটা হয়। এরপর এই স্থানে মধ্যাহ্নকালীন ভোগআরতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আরতির পর উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

এরপর সন্ধিক্ষণে চাকদহের পূজনীয় মাধবী দেবী দাসী মাতাজির শ্রদ্ধাকুটিরকে কেন্দ্র করে সান্ধ্যকালীন আরতি অনুষ্ঠান সংঘটিত করা হয়। পূজ্যপাদ বসুদেব নন্দন প্রভু এই অনুষ্ঠানের শুভ আরম্ভ ঘটে। এরপর বৈষ্ণব মহাজন’ বিরচিত ভজন কীর্তনের মাধ্যমে এই স্থান আনন্দমুখর হয়ে ওঠে। ভজন কীর্তনের পর অনেক বিদেশি ভক্তদের আগমনে সন্ধ্যাআরতি কীর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০ জন ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যাআরতির পর পূজ্যপাদ বসুদেব নন্দন প্রভু উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশ্যে শ্রীমদ্ভাগবত থেকে পাঠ প্রদান করেন। সবশেষে ভক্তদের প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here