নদীয়া:

১৭ জানুয়ারী ২০২০ তারিখে নদীয়া জেলার গাগড়াপুরের অন্তর্গত দক্ষিণ ঢাকুরিয়ার সুকৃতি গদাধর দাস প্রভুর শ্রদ্ধাকুটির প্রাঙ্গণে প্রাতঃকালীন অনুষ্ঠান তথা শ্রী গুরুপূজা এবং হরিকথা পরিবেশিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীধাম মায়াপুরের ইসকন নামহট্ট বিভাগের অন্যতম ত্রিদন্ডী সন্ন্যাসী তথা নামহট্ট বিভাগের কো রিজিওনাল ডাইরেক্টর শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিবিলাস গৌরচন্দ্র স্বামী মহারাজ এবং নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা পরিদর্শক পূজ্যপাদ বসুদেব নন্দন দাস ব্রহ্মচারী প্রভু। প্রায় ২৫ জন ভক্ত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রাতঃকালীন মহাপ্রসাদ গ্রহণের পর শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিবিলাস গৌরচন্দ্র স্বামী মহারাজ গাংনাপুরের অন্তর্গত বাগা ডাঙ্গার লীলা অবতার দাস প্রভুর শ্রদ্ধাকুটিরকে কেন্দ্র করে মধ্যাহ্নকালীন অনুষ্ঠান তথা ভোগআরতি অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩০০ জন ভক্ত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ভজন কীর্তন মঙ্গলাচরণ ও শ্রী শ্রীমৎ ভক্তি বিলাস গৌড় চন্দ্র স্বামী মহারাজের শ্রী মুখ থেকে শ্রীমদ্ভাগবতম্ পাঠের মধ্য দিয়ে এই স্থান আনন্দমুখর হয়ে ওঠে।

এরপর শিমলা থানার গাংনাপুরে বৈকাল ৪:০০ টা থেকে রাত্রি ৮:০০ ঘটিকা পর্যন্ত এক দিব্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৈকাল ৪:০০ ঘটিকায় হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে নগর পরিক্রমার মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ আরম্ভ করা হয়। নগর পরিক্রমার পর সন্ধ্যা ৫:০০ ঘটিকা থেকে বৈষ্ণব মহাজন বিরচিত ভজন কীর্তনের মাধ্যমে এই স্থান আনন্দমুখর হয়ে ওঠে। ভজন কীর্তনের পর শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিবিলাস গৌরচন্দ্র স্বামী মহারাজ এই স্থানে উপস্থিত ৫০০ জন ভক্তদের একত্রিত করে সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এরপর সমস্ত ভক্তের উদ্দেশ্যে শ্রীমৎ মহারাজ শ্রীমদ্ভাগবতম্ থেকে প্রবচন প্রদান করেন। শ্রীমৎ মহারাজের পাঠ প্রদানের পর এই স্থানে একটি ভক্তিমূলক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করানো হয়। এরপর সমস্ত ভক্তদের উদ্দেশ্যে মহাপ্রসাদ বিতরন করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here