নদীয়া:

৮ জানুয়ারী ২০২০ তারিখে নদীয়া জেলার করিমপুরের বাসিন্দা বিদগ্ধ কৃষ্ণদাস প্রভুর শ্রদ্ধা কুটির  প্রাঙ্গণে শুভ মঙ্গলারতি জপ যজ্ঞ ও মহাপ্রসাদ গ্রহণ করার পর বেথুয়ার

সদানন্দ বাসুদেব দাস প্রভুর শ্রদ্ধা কুটির প্রাঙ্গণে ভোগারতী অনুষ্ঠানের শুভ আয়োজন করা হয়। এই স্থানে উপবিষ্ট ছিলেন নামহট্ট  বিভাগের অন্যতম জেলা প্রচারক তথা মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা পরিদর্শক পূজ্যপাদ বসুদেব নন্দন দাস ব্রহ্মচারী প্রভু। সকাল ১০ টায় বৈষ্ণব মহাজনগন বীরোচিত ভজন কীর্তনের মাধ্যমে এক স্থানে আনন্দের বার্তা বহনের সৃষ্টি হয়। ভজন কীর্তনের পর এই স্থানে যজ্ঞ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পূজ্যপাদ বসুদেব নন্দন প্রভু প্রায় ১৫০ জন ভক্তের উদ্দেশ্যে শ্রীমদ্ভাগবতম কথা প্রবচন প্রদান করেন।  প্রভুর পাঠ প্রদানের পর এই স্থানে উপস্থিত সমস্ত ভক্তদের একত্রিত করে ভোগ আরতি অনুষ্ঠান সংঘটিত করা হয়। সবশেষে উপস্থিত সমস্ত ভক্তের উদ্দেশ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

একইদিন বৈকাল ৪:৩০ ঘটিকায় হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে নগর পরিক্রমার মাধ্যমে নদীয়া জেলার কানাইনগর কে কেন্দ্র করে সন্ধিক্ষণে এক দিব্য অনুষ্ঠানের শুভ আরম্ভ করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীধাম মায়াপুরের ইসকন নামহট্ট বিভাগের অন্যতম ত্রিদন্ডী সন্ন্যাসী তথা নামহট্ট বিভাগের কো রিজিওনাল ডাইরেক্টর শ্রী শ্রীমৎ ভক্তি বিলাস গৌরচন্দ্র স্বামী মহারাজ এবং বসুদেব নন্দন প্রভু।  এরপর সন্ধ্যা ৫:০০ ঘটিকা থেকে বৈষ্ণব মহাজন বিরচিত ভজন কীর্তনের মাধ্যমে এই স্থান আনন্দমুখর হয়ে ওঠে। ভজন কীর্তনের পর শ্রী শ্রীমৎ ভক্তি বিলাস গৌর চন্দ্র স্বামী মহারাজ এই স্থানে উপস্থিত ৫০০ জন ভক্তদের একত্রিত করে সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন। এরপর সমস্ত ভক্তের উদ্দেশ্যে শ্রীমৎ মহারাজ শ্রীমদ্ভাগবতম্ থেকে প্রবচন প্রদান করেন। শ্রীমৎ মহারাজের পাঠ প্রদানের পর এই স্থানে ভক্তিমূলক চলচ্চিত্র পরিদর্শন করানো হয় এবং সমস্ত ভক্তদের উদ্দেশ্যে মহাপ্রসাদ বিতরন করা হয়। এইদিন পূজ্য পাদ বসুদেব নন্দন প্রভু ২ টি জপমালা বিতরণ করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here