গোবিন্দপুর, ভাঙ্গর, কলকাতা:
কলকাতার গোবিন্দপুরের ভাঙ্গর অঞ্চলে শুধুমাত্র একটি শ্রদ্ধা কুটিরে দ্বীপ দান করে থেমে থাকেননি পূজ্যপাদ ভাগবত কীর্তন দাস ব্রহ্মচারী প্রভু। ১৪ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে দামোদর মাস উপলক্ষে এক সাথে ছয়টি শ্রদ্ধা কুটির পরিদর্শন এবং ভগবান শ্রী দামোদরকে দ্বীপ প্রদান করলেন পূজ্যপাদ ভাগবত কীর্তন দাস ব্রহ্মচারী প্রভু। উক্ত শ্রদ্ধা কুটির প্রাঙ্গণ গুলিতে এইদিন দুপুরে প্রথম শ্রদ্ধাকুটিরে ১:৩০-২:৩০ প্রায় ২৬ জন, দ্বিতীয় শ্রদ্ধাকুটিরে ২:৩০-৩:৩০ প্রায় ৩০ জন, তৃতীয় শ্রদ্ধাকুটিরে ৫:১৫-৬:৩০ প্রায় ৫০ জন, চতুর্থ শ্রদ্ধাকুটিরে ৬:৪৫-৭:৩০ প্রায় ১৫ জন, পঞ্চম শ্রদ্ধাকুটিরে ৭:৪০-৮:৩০ প্রায় ২০ জন, ষষ্ঠ শ্রদ্ধাকুটিরে ৮:৩০-৮:৪৫ প্রায় ৫ জন ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। এই দিনেই হরিদাস প্রভুর পরিচালনায় নাড়া বেরিয়া নামহট্ট এ প্রায় ১২০ জন ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সমস্ত শ্রদ্ধা কুটিরে উপস্থিত ছিলেন ইসকন নামহট্ট বিভাগের অন্যতম জেলা প্রচারক তথা কলকাতা জেলার ভারপ্রাপ্ত জেলা পরিদর্শক পূজ্যপাদ ভগবত কীর্তন দাস ব্রহ্মচারী প্রভু ও তাঁর সহকারী বৃন্দ। সমস্ত শ্রদ্ধা কুটির প্রাঙ্গণ গুলিতেই শ্রীপাদ ভাগবত কীর্তন দাস ব্রহ্মচারী প্রভু এবং শ্রদ্ধা কুটির প্রাঙ্গণের সব ভক্ত দ্বারা দামোদর অষ্টকম কীর্তন পরিবেশিত হয় এবং দামোদর মাসের মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়।
পরদিন অর্থাৎ ১৫/১০/২০১৯ তারিখে প্রাতঃকালে মঙ্গল আরতির পর নগর সংকীর্তন এর মাধ্যমে আরও দুটি শ্রদ্ধা কুটির পরিদর্শন, ভগবান শ্রী দামোদরকে দ্বীপ প্রদান এবং দামোদর অষ্টকম কীর্তন পরিবেশন করলেন পূজ্যপাদ ভাগবত কীর্তন দাস ব্রহ্মচারী প্রভু। এরপর এক শ্রদ্ধা কুঠির প্রাঙ্গণে তিনি শ্রীগুরুপূজা ও শ্রীমদ্ভাগবতম পাঠ প্রদান করেন। সবশেষে সমস্ত ভক্তদের উদ্দেশ্যে মহাপ্রসাদের সুব্যবস্থা ছিল।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here