আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ ইসকন্ এর প্রতিষ্ঠাতা ও আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত শ্রীল প্রভুপাদের অন্যান্য শিষ্য সমূহের মধ্যে শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ হলেন একজন অন্যতম প্রিয় শিষ্য। শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ ১৯৬৮ সালে শ্রীল প্রভুপাদের নিকট থেকে হরিনাম দীক্ষা প্রাপ্ত হন। তার দুই সপ্তাহ পর তাঁকে ইসকনের মন্ট্রিয়ল সেন্টারের প্রেসিডেন্টের পদে নিযুক্ত করা হয়। তারপর প্রভুপাদ্ তাঁকে ভারতে ১৯৭০ সালে প্রেরণ করেন।মাত্র ২১ বছর বয়সে রাধাষ্টমীর এক পুণ্য লগ্নে ২৯ আগস্ট ১৯৭০ সালে কলকাতায় ছিল প্রভুপাদ এর নিকট থেকে এই নবীণ ভক্তটি সন্ন্যাস দীক্ষা প্রাপ্ত হন।গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের মধ্যে সবথেকে প্রবীণতম সন্ন্যাসী হলেন শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ। বৈষ্ণব জগতে তিনি ছিলেন ১১তম সন্ন্যাসী।এই বৎসর অর্থাৎ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে ছিল শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজের ৪৯ তম সন্ন্যাস বর্ষপূর্তি। মহা ধুমধামের সঙ্গে শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হয়।মৃদঙ্গ করতাল এবং নানান ভজন কীর্তন্ এর মাধ্যমে মহারাজের এই সন্ন্যাস বর্ষপূর্তি শ্রীধাম মায়াপুরের ইসকন্ মন্দিরের নামহট্ট ভবনে পালন করা হয়।এই অনুষ্ঠানে শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ সহ গৌরাঙ্গ প্রেম স্বামী মহারাজ, ভক্তি বিলাস গৌরচন্দ্র স্বামী মহারাজ, শ্রীপাদ পদ্মনেত্র দাস, শ্রীপাদ বেনুধারী দাস ছাড়াও শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা মহারাজের আরও জ্যেষ্ঠ শিষ্যসমূহ উপস্থিত ছিলেন।এই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজারের অধিক ভক্তের সমাগম হয়। মঞ্চে উপবিষ্ট মহারাজ এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ শিষ্য সমূহের মুখনিসৃত গুরু তত্ত্ব কথা আলোচনার মাধ্যমে এক অভিনব সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ একটি বিশালাকায় কেক কাটেন এবং সমস্ত ভক্তদের মধ্যে তা বিতরণ করা হয়। সবশেষে সমস্ত ভক্তদের মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয় এবং অনুষ্ঠানের শুভসমাপন ঘটে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here